বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:২৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি....
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপণ দিন * আপনার চোখে পড়া অথবা জানা খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বর্পূণ তাই সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুনঃ ‍simantabarta@gmail.com * আপনার পাঠানো তথ্যর বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব * সারাদেশে জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীর পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে * আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন * মোবাইলঃ 01909088904।
সংবাদ শিরোনাম....
ধামরাই উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার ১ জন ঢাকা আরিচা মহাসড়কে পুখুরিয়া ২টি পরিবহনের মুখোমুখি সংঘর্ষে ২২ জন আহত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ফ্রেন্ডস ক্লাবের মানবতার সেবায় কম্বল,নগদ অর্থ বিতরণ সম্পূর্ণ সাটুরিয়া প্রেস ক্লাবে সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা খান ধামরাই রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আদনান, সাধারণ সম্পাদক সবুজ স্বপ্ন টিভির আনুষ্ঠানিক যাত্রা সম্পন্ন সাভারে শীতার্তদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ বোর্ডের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই তৈরি হয়েছে নয় তলা ভবন মানিকগঞ্জে সাটুরিয়া উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালত ২টি ইটভাটায় অভিযান আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে সভাপতি মোজাফফর হোসেন জয় ও সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম লিটন
গাইবান্ধার গ্রামে চলছে মাছ শিকারের উৎসব

গাইবান্ধার গ্রামে চলছে মাছ শিকারের উৎসব

গাইবান্ধার গ্রামাঞ্চলে এখন চলছে দলবদ্ধ হয়ে মাছ ধরার উৎসব। বিল-জলাশয়গুলোর পানি কমে যাওয়ায় সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের ঝিনিয়ার বিল ও কুপতলা ইউনিয়নের নলিগলির বিলে মাছ শিকারের মধ্য দিয়ে এবার শুরু হয়েছে বৈদ নামে দলবদ্ধ মাছ শিকারের পর্ব। এই মাছ শিকারের উৎসব চলবে প্রায় ৪ মাস ধরে।

জানা গেছে, প্রাচীনকাল থেকেই এতদাঞ্চলে ‘বৈদ’ নামের এই মাছ ধরা উৎসব চলে আসছে। সাধারণত কার্তিক মাসের প্রথমদিক থেকে শুরু হয়ে মাঘ মাস পর্যন্ত যখন বড় বড় বিল, নদী ও খালে পানি কম থাকে তখনই এই দলবদ্ধ বৈদ নামের মাছ ধরার প্রকৃত মৌসুম।জেলার ৭টি উপজেলাতেই রয়েছে পৃথক পৃথক সৌখিন এই মাছ শিকারির দল। বৈদ দলের আলোচনার ভিত্তিতে মাছ শিকারের নির্দিষ্ট জলাশয়, তারিখ, সময়, যাত্রার স্থান নির্ধারণ করে গ্রামের হাটবাজারে ঢোল মহরত করে তা জানিয়ে দেয়া হয়। এই বৈদের দলের একজন দলনেতা থাকেন। যার কাছে থাকে মহিষের শিং দিয়ে তৈরি বড় একটি বাঁশি। যাকে বলা হয় বৈদের শিঙ্গা, যা দিয়ে বিউগলের মতো উচ্চস্বরে শব্দ বের হয় এবং অনেক দূর থেকে তা শোনা যায়। নির্ধারিত স্থানে যথাসময়ে শিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হয় বার বার। আর শিঙ্গার আহ্বানে নিজ নিজ পছন্দ মতো মাছ ধরার নানা সরঞ্জাম নিয়ে সমবেত হতে থাকেন মৎস্য শিকারিরা।

সাধারণত পূর্ব নির্ধারিত বিল-জলাশয়ে দলবদ্ধ হয়ে মাছ শিকার চলে দিনভর। কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, যে কেউ এতে শামিল হতে পারেন। সে কারণে একটি বৈদের দল যখন কোনো বিল বা নদীতে একযোগে সারিবদ্ধভাবে মাছ শিকারে নামে তখন একটি বৈদের দলে মাছ শিকারির সংখ্যা ৫০০ থেকে ১ হাজার বা তারও বেশি হয়ে যায়।বৈদে মাছ ধরার সরঞ্জামের মধ্যে পলো, হ্যাঙ্গার জালি, পোলো জালি, হ্যাগা, মুঠ জাল, কোঁচা, টেঁটা, ঝাঁকি জাল ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। বৈদে মাছ মারা চলে সকাল থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এক জলাশয় থেকে অন্য জলাশয়ে। এতে অনেকে মাছ পান আবার অনেকে একটি মাছও পান না। কিন্তু তাতে বৈদ শিকারিদের কোনো দুঃখবোধ নেই। কেননা, এখানে দলবদ্ধভাবে মাছ ধরতে যাওয়ার আনন্দটাই মুখ্য। মাছ প্রাপ্তিটাই মূল বিষয় নয়।

সংবাদ টি শেয়ার করুন




©2019 Daily Shimanta Barta. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD