বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি....
আপনার প্রতিষ্ঠানের বিশ্বব্যাপী প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপণ দিন * আপনার চোখে পড়া অথবা জানা খবরগুলোও আমাদের কাছে গুরুত্বর্পূণ তাই সরাসরি জানাতে ই-মেইল করুনঃ ‍simantabarta@gmail.com * আপনার পাঠানো তথ্যর বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব * সারাদেশে জেলা, উপজেলা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগীর পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে * আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন * মোবাইলঃ 01909088904।
দেশে করোনার পিক-টাইম পেরিয়েছে আগস্টে

দেশে করোনার পিক-টাইম পেরিয়েছে আগস্টে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি সতর্ক করেছে, আগামী শীতে সারাবিশ্বে করোনাভাইরাসের প্রকোপ আবারও বাড়তে পারে, যাকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বলা হচ্ছে। করোনাভাইরাসের চলমান প্রথম ঢেউয়ের চূড়া বা পিক-টাইম গত আগস্টে পার হয়ে গেছে বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা। তারা বলছেন, সেই পিক-টাইম ছিল ৩১ মে থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। সেসময় করোনা শনাক্তের হার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ ছিল।
শনিবার (২৪ অক্টোবর ) আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা দি হাঙ্গার প্রজেক্টের উদ্যোগে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ও আমাদের করণীয় শীর্ষক একটি ওয়েবিনারে বক্তরারা করোনার সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
করোনাবিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে প্রথম রোগী পাওয়া যায় ৮ মার্চ। এপ্রিলে সংক্রমণ হার ১২ শতাংশে উঠে। ৩১ মেতে সংক্রমণ হার ২০ শতাংশে ঠেকল। এরপর ২০ আগস্ট পর্যন্ত এই হার ২০-এর বেশি ছিল। ২১ আগস্ট সংক্রমণ হার কমে ১৮-এর ঘরে নামে।’
নজরুল ইসলাম বলেন, ‘অনেকেই প্রশ্ন করে দেশে সংক্রমণের পিক বা চূড়া কবে হলো? ৩১ মে থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত চূড়া ছিল। সাধারণত সুচালো ও মালভূমি আকৃতি এই দু’ধরনের চূড়া দেখা যায়। আমাদের দেশে মালভূমির মতো চূড়া ছিল। তবে এখন প্রথম ঢেউ শেষ হয়নি। সংক্রমণ ১০ শতাংশের ঘরে আছে।’
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের সাবেক পরামর্শক মুজাহেরুল হক বলেন, ‘দেশে প্রথম ঢেউ এখনো মিলিয়ে যায়নি। তবে নিয়ন্ত্রণে আনার দিকে যাচ্ছে। জনগণকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে বাধ্য করতে হবে। ওয়েবিনারের প্রধান অতিথি স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘করোনা সারা বিশ্বের কাছেই নতুন। উন্নত বিশ্বের দেশগুলোও এটি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তে ভুল ছিল না, এমন না। কিন্তু সফলতা যে নেই, এটা বলা যাবে না। করোনার পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে তা মোকাবেলায় কাজ করছে সরকার।’
করোনা সংকটে ত্রাণ বিতরণে ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার ও চেয়ারম্যানসহ অনেকের অনিয়মে জড়িয়ে পড়া নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এসব ঘটনায় কিছু জনপ্রতিনিধি জড়িত ছিলেন। ৬২ হাজার জনপ্রতিনিধির মধ্যে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশেরও কম অনিয়মে জড়িত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ায় অনিয়ম কমে গেছে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাবলিক হেলথ অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য আবু জামিল ফয়সাল বলেন, ‘শীতকালে এমনিতেই ঠান্ডার সমস্যা থাকে। সেকেন্ড ওয়েভের তীব্রতা কমাতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। করোনা শহর এলাকাতে তাণ্ডব বেশি চালাচ্ছে। শহর এলাকাতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার দায়িত্ব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। এই কাজে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।’
হাঙ্গার প্রজেক্টের কান্ট্রি ডিরেক্টর বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা রুহিন হোসেন প্রিন্স, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য জেহাদুল করিম, সাবেক সচিব আবুল কালাম আজাদ, আবদুল লতিফ মণ্ডল প্রমুখ।

সংবাদ টি শেয়ার করুন




©2019 Daily Shimanta Barta. All rights reserved.
Design BY PopularHostBD